| শিরোনাম: |
|
বগুড়ার শেরপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বার ঘটনায় কিশোর শ্রীঘরে
জেলা প্রতিনিধি, বগুড়া:
|
|
বগুড়ার শেরপুরে ১৩ বছরের শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ ও অন্তসত্ত্বার ঘটনায় আরেক কিশোর বাদশা আলম ওরফে ইউসুফ আলীকে (১৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ ১১ মে (শনিবার) বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ![]() শুক্রবার (১০মে) রাতে নির্যাতনের শিকার কিশোরীর বাবা লেবু মিয়া বাদি হয়ে ওই মামলাটি দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলায় অভিযুক্ত বাদশা আলম ওরফে ইউসুফ আলীকে (১৫) গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্ত কিশোর উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের বাগড়া হঠাৎপাড়া গ্রামের মহরম আলীর ছেলে। সে বাগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র। মামলা সূত্রে জানা যায়, শারীরিক প্রতিবন্ধী ওই কিশোরীকে বিগত ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর বড়ই খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাগড়া চকপোতা হঠাৎপাড়া গ্রামস্থ বাড়িতে নিয়ে যায় বাদশা আলম ওরফে ইউসুফ আলী। এসময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সে। মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে গত ৭ মে তাকে স্থানীয় শেরপুর ফ্যামিলি ক্লিনিক এন্ড ডায়গনোসটিক হাসপাতাল পরীক্ষার জন্য নিয়ে যায় পরিবার। পরীক্ষায় এই কিশোরী গর্ভবতি হওয়ার চব্বিশ সপ্তাহ পার হয়েছে বলে জানানো হয়। পরে কিশোরীর নিকট থেকে ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পর তার বাবা বাদি হয়ে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত ইউসুফ আলীর মা আনিছা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলেকে ফাঁসানো হয়েছে। কারণ সে এই কাজ করতেই পারে না। এরপরও আমি ওই কিশোরীর পরিবারকে ডিএনএ টেস্ট করার জন্য বলেছি। সেখানে প্রমাণিত হলে তাকে পূত্রবধূ হিসেবে মেনে নেবো। কিন্তু সেটি না করে আমার ছেলের বিরুদ্ধে মামলা দিল।’ জানতে চাইলে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা বলেন, ‘এই ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’ বিডি ক্যাম্পাস/শহিদুল ইসলাম শাওন/সিআর/জেড এইচ
|